কৌশলগত অবস্থানের কারণে চট্টগ্রাম এখন বৈদেশিক বাণিজ্যের আউটলেট বা কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা জার্মানির উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক আশাবাদ সঞ্চার করেছে।
চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) নেতাদের সঙ্গে গতকাল রোববার চেম্বার কার্যালয়ে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত হোলজার মাইকেল এ মন্তব্য করেন।
এ সময় চট্টগ্রামে চেম্বারের সভাপতি মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিম, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মাহবুবুল আলম, পরিচালকেরা, মাহফুজুল হক শাহ, আশিক ভূঁইয়া, ক্যাপ্টেন শফি চৌধুরী, মোরশেদ আরিফ চৌধুরী এবং জার্মান দূতাবাসের অনারারি কনস্যুল শাকির ইস্পাহানী উপস্থিত ছিলেন।
হোলজার মাইকেল বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সম্প্রসারণ ও ফ্লাইওভার নির্মাণসহ অবকাঠামোগত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পরিবর্তনের কারণে চট্টগ্রাম এরই মধ্যে জার্মানির উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক আশাবাদ সৃষ্টি করেছে। তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে অধিকতর বাণিজ্য সম্প্রসারণে এখনই উপযুক্ত সময়।
জার্মান রাষ্ট্রদূত ব্যবসায়ী সমাজের কল্যাণে চিটাগাং চেম্বারের অর্থায়নে চট্টগ্রামে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বা বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় এর ভূয়সী প্রশংসা করেন।
মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিম বলেন, জার্মানি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২৮০ কোটি ইউরো হলেও তা আরও বাড়াতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তিনি বেসরকারি খাতকে দেশের সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি উল্লেখ করেন এবং এ খাতের উন্নয়নে জার্মান সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
মাহবুবুল আলম বাংলাদেশের বিশেষ করে বিদ্যুৎ, জাহাজ নির্মাণ, ভৌত অবকাঠামো, কম্পোজিট টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিসহ (আইসিটি) সম্ভাবনাময় খাতগুলোয় একক বা যৌথভাবে বিনিয়োগের জন্য জার্মান উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
মাহফুজুল হক শাহ জার্মান প্রযুক্তি হস্তান্তরসহ চিটাগাং চেম্বার ও জার্মান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রামে বাণিজ্য মেলা আয়োজনের বিষয়েও জোর দেন।
ক্যাপ্টেন শফি চৌধুরী চট্টগ্রাম বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে বিদেশি বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।








