‘বছরে বাড়তি ১১শ’ কোটি টাকার ধান উৎপাদন সম্ভব’
গাজীপুর: গবেষণা ও মাঠ পর্যায়ে ধানের ফলন পার্থক্য কমানো সম্ভব হলে দেশে আমন মৌসুমে ৫৫ লাখ ৫০ হাজার টন বাড়তি ধান উৎপাদন করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। যার বাজার মূল্য দাঁড়াবে প্রায় ১১শ’ কোটি টাকা।
গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে (ব্রি) মঙ্গলবার এক কর্মশালায় গবেষকরা এ তথ্য জানান।
গবেষকরা জানান, গবেষণা ও মাঠ পর্যায়ে ফসলের ফলন পার্থক্য কমানো সম্ভব হলে যে বাড়তি উৎপাদন হবে, তার বাজার মূল্য দাঁড়াবে প্রায় ১১শ’ কোটি টাকা।
এ বাড়তি ফলন দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কার্যক্রম তরান্বিত করবে।
গবেষণা ও কৃষকের মাঠে ফলন পার্থক্য কমানোর লক্ষ্যে দেশের ২৫টি জেলার ৭৫টি উপজেলায় ২০১১ সালে রোপা আমন মৌসুমে এ গবেষণা কার্যক্রম শুরু হয়।
গবেষণায় জানা গেছে, কৃষকের নিজস্ব মাঠে ও গবেষকদের তত্ত্বাবধানে চাষাবাদের মধ্যে হেক্টর প্রতি ফলন পার্থক্য শতকরা ২৬ দশমিক ৪৪ ভাগ কমানো সম্ভব হয়েছে।
২৫টি জেলার ৭৫ উপজেলায় গবেষণা কার্যক্রম চালানোর মাধ্যমে ২৯লাখ ১৪হাজার টন ধানের ফলন পার্থক্য কমানো সম্ভব হয়েছে।
বর্তমানে ২৫টি জেলার ৭৫ উপজেলায় গবেষণা মাঠ ও কৃষকের মাঠে বিরাজমান ফলন পার্থক্য গড়ে হেক্টর প্রতি ১ টন।
ব্রি’র উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল ধানের জাত চাষসহ ফলন ব্যবধানের প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুধু আমন মৌসুমে ১১শ’ কোটি টাকার বাড়তি ধান উৎপাদন করা যেতে পারে।
দেশে বর্তমানে তিন মৌসুমে আবাদযোগ্য চাষযোগ্য জমির পরিমান ১০ দশমিক ৫৮হেক্টর।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মহাপরিচালক ড. এ.কে.জি মো. এনামুল হকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, ব্রি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. খায়রুল বাশার, পরিচালক (প্রশাসন) ড. সাইদুল ইসলাম প্রমুখ।
এ সংক্রান্ত গবেষণা পত্র উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হুমায়ুন কবীর, হামিদুর রহমান ও হাবিবুর রহমান।








